প্রাণহীন ইট পাথরে

তুমি সবুজ দুর্বাঘাস

কোমল গালিচার মত

আমি ভোরের শিশির

তোমার সমস্ত অবয়ব জুড়ে,

        অথচ আমি বাস্প হয়ে যাই

        সূর্য্ উদয়ের সাথে সাথে

        অতঃপর তৃর্ণভোজী পশুরা আসে

        ছিড়ে-কুড়ে খায় তোমাকে।

উদারস্ত করেই খ্যান্ত হয়না কেবল

আবার উগরে মুখে এনে

আরাম করে চিবোয়

জাবর কাটা বলে যাকে,

        অথবা নিড়ানী দিয়ে

        তুলে ফেলে বাগানমালী

        আগাছা ভেবে-

 আগাছা পরিস্কার করার গরজে।

কিম্বা, মাংসাসী পশুরা-

ছুটে চলে তোমার তনুর উপর পা ফেলে

তাদের নখের দগদগে ক্ষত

তোমার সমস্ত কোমল অঙ্গে,

        অথচ তোমার সমস্ত তনুমনে

        তাদেরই আনাগোনা

        তৃর্ণ্ভোজী-মাংসাসী পশু

        অথবা বাগানমালী।

আমি বিন্দু বিন্দু বাস্প হয়ে

শ্রাবণের সজল মেঘ এখন

ছুটে চলেছি বায়ুর স্রোতে

হয়ত এখানে নয় অন্য কোনখানে

ঝরব বৃস্টি হয়ে।

        হয়ত দুর্বাঘাসের উপরে নয়

        কোন ধূষর ক্যাকটাসের উপর

        নয়তো নদী-সাগর

        অথবা কোন মরুভূমি

        কিম্বা প্রাণহীন ইট-পাথরে।।

রচনাকাল-১৩/০১/১৯৯৯ ইং।

ম.ম.শ ইসলাম প্রিয়

এই লেখাটি ’প্রতিচ্ছবি’র সম্পাদনা পরিষদ কর্তৃক কোনরূপ সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত। লেখাটির সর্ব-স্বত্ব লেখক কর্তৃক সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যতীত এবং লেখকের নাম ছাড়া অন্য মিডিয়াতে লেখাটি প্রকাশ করা কপিরাইট আইনে দন্ডনীয় অপরাধ হিসাবে বিবেচিত হবে।

Add comment

Most popular

Most discussed